1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ১১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কর্ণফুলীতে ১৪শ পিচ ইয়াবাসহ বৃদ্ধ গ্রেফতার সোনাতলায় মারপিটের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরালঃ ২ আসামী আটক আখাউড়ায় পুকুরে মাটিকাটা কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত  শাজাহানপুরে ইফার উদ্যোগে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে করোনা উপসর্গে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু শাহজাহানপুরে মৎস্য চাষীদের মাছের মিশ্রচাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন  সুনামগঞ্জে ভূল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ যৌতুক দিতে না পারায় স্বামীর ঘরে ফেরা হল না সুমির শাজাহানপুর চাঙ্গুইর জলাশয় ইজারা বিরোধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা শ্রদ্ধা ভালোবাসায় কাজিপুরে মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আমের ফলন বাড়াতে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত আমচাষীরা

  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৪১১ বার দেখা হয়েছে

আমের রাজধানী নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় বাগানে বাগানে আমচাষীরা এখন পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। নাওয়া খাওয়া ছেড়ে তারা কিটনাশক দোকান হতে কিটনাশক সংগ্রহ করে অতিরিক্ত মজুরী দিয়ে কিটনাশক স্প্রে-করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগের দিনে দেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা ছিল আমের রাজধানী হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে পর পর কয়েক বছর ধরে সাপাহার উপজেলার আম বহি:বিশ্ব সহ দেশের রাজধানী এবং প্রায় প্রতিটি জেলায় সুনামের সাথে স্থান করে নেয়ায় দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ এক নামে এখন সাপাহার উপজেলাকে চিনে ও জানে। আমের সিজন আসলেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাবসায়ীরা সাপাহারে এসে ভিড় জমায়। গতবছর আমের মৌসুমে শুধু সাপাহার উপজেলা সদরে অবস্থিত আড়াই শতাধিক আমের আড়ত হতে প্রায় ৩০কোটি টাকার আম বিক্রি হয়েছে বলে আম আড়ত ব্যবসায়ীর সভাপতি শ্রী কার্তিক সাহা জানিয়েছেন।

উপজেলা সদরের আমবাগান মালিক সাংবাদিক তছলিম উদ্দীন, পিছল ডাঙ্গা গ্রামের দেলোয়ার হোসেন, জবই গ্রামের শাহজাহান আলী সহ একাধীক আমবাগান মালিকদের সাথে কথা হলে তারা জানান যে, সাপাহার উপজেলার সব জায়গার মাটি আম চাষের উপযোগী। এজন্য এখানকার কৃষককুল ধানের বদলে আমচাষে ঝুঁকে পড়েছেন। বর্তমানে এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে সর্বচ্চ ১০হাজার টাকার ধান বিক্রি করতে পারা যায় পক্ষান্তরে ওই এক বিঘা জমিতে আম চাষ করে কম পক্ষে ১লক্ষ টাকার আম বিক্রি করা যায়। তফাৎটি আকাশ পাতাল ব্যাবধান হওয়ায় এখানকার কৃষককুল এখন আম চাষে বেতিব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। উপজেলায় যে লোকের ১০শতাংশ জমি রয়েছে সেও তার ওই টুকু জমিতে কয়েকটি আম গাছ লাগিয়েছেন।

বর্তমানে সাপাহারে কোন অচেনা ব্যক্তি আসলে চারিদিকে চোখে পড়বে শুধু আমের বাগান আর বাগান। গতবছর উপজেলায় ৬হাজার ২০০শ’ হেক্টোর জমিতে আমের উৎপাদন হয়েছিল এবছর এর পরিধি আরোও ব্যাপকতা লাভ করে এখন ৮হাজার ২৫০হোক্টোর জমিতে উন্নত হয়েছে বলে উপজেলা কৃষিদপ্তর থেকে জানা গেছে। পর পর কয়েক বছর ধরে উপজেলায় আম চাষে এক বিপ্লব ঘটায় বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রী বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার ইতো মধ্যেই এই উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য জায়গা নির্ধারণ সহ যাবতীয় ব্যাস্থা গ্রহণ করেছেন। উপজেলা সহ আশেপাশের আমচাষীরা অচিরেই এখানে একটি অত্যাধুনিক আম সংরক্ষনাগার ও জুস জেলি তৈরীর কারখানা স্থাপনের জন্য সরকার ও দেশের বিত্তবানদের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর