1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কর্ণফুলীতে ১৪শ পিচ ইয়াবাসহ বৃদ্ধ গ্রেফতার সোনাতলায় মারপিটের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরালঃ ২ আসামী আটক আখাউড়ায় পুকুরে মাটিকাটা কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত  শাজাহানপুরে ইফার উদ্যোগে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে করোনা উপসর্গে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু শাহজাহানপুরে মৎস্য চাষীদের মাছের মিশ্রচাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন  সুনামগঞ্জে ভূল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ যৌতুক দিতে না পারায় স্বামীর ঘরে ফেরা হল না সুমির শাজাহানপুর চাঙ্গুইর জলাশয় ইজারা বিরোধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা শ্রদ্ধা ভালোবাসায় কাজিপুরে মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

করোনা মোকাবেলায় গোলনাবাসীর পাশে নেই ইউপি চেয়ারম্যান কবীর

  • আপডেট এর সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৯৭ বার দেখা হয়েছে

নীলফামারী প্রতিনিধি-
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস আতঙ্কে থমকে গেছে পুরো বিশ্ব। লকডাউন হয়ে গেছে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ। এ ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে নীলফামারী জেলা লকডাউনে থাকায় জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নে মানবেতর জীবন-যাপন করছে দিনমজুর, অসচ্ছল, ভ্যান, রিক্সা, সিএনজি চালক কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা। এসংকটময় পরিস্থিতিতে ৪ নং গোলনা ইউনিয়ন পরিষদে দেখা মিলছেনা ইউপি চেয়ারম্যান করোনাভাইরাসের শুরু থেকেই তিনি ঢাকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের কারনে সরকারী বরাদ্দ পেতে বিলম্ব হচ্ছে। প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি তা ভালভাবে পালন করছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

এছাড়াও এলাকায় অনেকেই মানছে না লকডাউনের নিয়ম-কানুন ফলে আতঙ্কে রয়েছে গোলনার মানুষেরা। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে গোটা বিশ্ব যখন যুদ্ধ ঘোষনা করেছে তখন করোনার মহামারীতে শঙ্কিত লকডাউনে থাকা গোলনার জনসাধারন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জলঢাকা উপজেলার শুধু ৪নং গোলনা ইউনিয়নে বসবাস করে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মানুষ। তাদের মধ্যে দরিদ্র মানুষ বসবাস করে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার। এসব দরিদ্র মানুষের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি কেউই। তবে ভিক্ষুকদের ত্রাণ দিলেও গোলনা ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ২০ জন দরিদ্র মানুষকে সাহায্য ও ১৫৫ জনকে দশ কেজি করে চাল দেয়া হয় যা জনসংখ্যার তুলনায় খুবই নগন্য।

গোলনা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা উকিল চন্দ্র রায় বলেন, একজন চেয়ারম্যান ইউনিয়নের অভিভাবক। তিনি ঢাকায় থাকায় আমরা অভিভাবকশুন্য হয়ে গেছি। আমরা চাই তিনি অতিশীঘ্র এলাকায় এসে এই বৈশিক মহামারী মোকাবেলায় যুগোপযোগী প্রস্তুতি গ্রহন করুক।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ৪ নং গোলনা ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য বলেন, গোটা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে আমরা তখন সিদ্বান্তহীনতায় ভুগছি। চেয়ারম্যান ঢাকায় থাকার কারনে সরকারী অনুদানগুলোও আমরা সঠিকভাবে বরাদ্দ পাচ্ছি না। মহামারী মোকাবেলায় আমরা হিমশিম খাচ্ছি। তিনি এলাকায় থাকলে আলোচনার মাধ্যমে এই বৈশিক মহামারী মোকাবেলায় বিভিন্ন কার্যকরী সিদ্বান্ত গ্রহন করতে সুবিধা হতো।

এব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবীর বলেন, ত্রাণ বিতরণের জন্য তালিকা তৈরির কাজ চলছে। আমি জরুরি অসুস্থতাজনিত কারনে ঢাকায় আসছি ফলে এলাকায় যেতে পারিনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শীঘ্রই এলাকায় যাব। ইউনিয়নের কার্যক্রম যথাযথভাবে চলছে বলেও জানান তিনি।

বিডি নিউজ ফাষ্ট.কম/নীলফামারী প্রতিনিধি/ টি.আই

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর