1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামে সম্ভাবনাময় হেয়ার ক্যাপ তৈরিতে পৃষ্ঠপোষকতা চান উদ্যোক্তা লাইজু

  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ২ জুন, ২০২১
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

তানভীর হোসাইন রাজু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ দরিদ্র কৃষকের মেয়ে হতে চান সফল উদ্যোক্তা। তাইতো মাস্টার্স পাশ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ময়মনসিংহ ও ঢাকায় হেয়ার ক্যাপ (পরচুলা) তৈরির প্রশিক্ষণ নেন। পরে বাবার বসতবাড়ির একটি টিনসেট ঘরে নিজের সম্বল প্রায় দেড় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন হেয়ার ক্যাপ তৈরির প্রতিষ্ঠানে। নাম দিয়েছেন ‘সিনহা বিনতে সামিউল হেয়ার ক্যাপ নিটিং লিমিটেড।

নিভৃত পল্লীর অসহায় নারীদের ভাগ্য বদলের স্বপ্নে বিভোর এ নারী উদ্যোক্তা লাইজু লিমা। তিনি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার চন্দ্রখানা বালাতারি গ্রামের হেছার আলীর মেয়ে।

উদ্যোক্তা লাইজু লিমা জানান, আমার অনেক দিনের স্বপ্ন একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে গ্রামের নারীদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করবো। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে গ্রামের ৩০ জন নারীকে নিজস্ব অর্থায়নে ২৫ দিন ক্যাপ তৈরির প্রশিক্ষণ দেই। তারপর তাদের মাধ্যমে ক্যাপ তৈরির কাজ শুরু করি। আমার প্রতিষ্ঠানে গত তিন মাস ধরে চুলের ক্যাপ উৎপাদন হচ্ছে। আমাদের উৎপাদিত ক্যাপগুলো ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা দরে বিক্রি করছি। ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান  তৈরিকৃত চুলের ক্যাপ কিনে নিয়ে চীনে রপ্তানি করছে। এখানে কর্মরত প্রতিটি নারীর মাসে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা আয় হচ্ছে। তাদের সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে। তাদের স্বচ্ছলতা দেখে অনেকেই আমার এখানে কাজ করতে চাচ্ছে। কিন্তু জায়গা ও অর্থ সংকটের কারণে তাদের কাজে নিতে পারছি না। সরকারি বেসরকারিভাবে আর্থিক সুবিধা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এলাকার শতশত নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলে জানান উদ্যোক্তা লাইজু।

প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত আকলিমা খাতুন বলেন, আগে বেকার ছিলাম। আপার কাছে প্রশিক্ষণ নিয়ে এখানে কাজ করছি। প্রতিটি ক্যাপ তৈরির জন্য ৩শ’ টাকা পাই।

সুমনা আক্তার বলেন, আমার অভাবের সংসার ছিল। এখানে কাজ করে সংসারের অভাব দুর হয়েছে।

মোসলেমা বেগম বলেন, আপা আমাকে কিভাবে ক্যাপ তৈরি করতে হয় তা শিখিয়েছেন। এখন আমি স্বামীর সংসার সামলানোর পাশাপাশি আপার এখানে কাজ করে বাড়তি টাকা রোজগার করছি।

প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মিল্টন খন্দকার বলেন, লাইজু আপা নিজ উদ্যোগে সাধ্যের সবটুকু  বিনিয়োগ করেছেন। আপার এখানে কাজ করে ইতিমধ্যেই ৩০ জন নারী সাবলম্বী হয়েছেন। আরও অনেক নারী এখানে কাজ করতে চাচ্ছে। কিন্তু ছোট্ট এ ঘরে নতুন করে কর্মী বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। অর্থের অভাবে নতুন করে ঘর নির্মাণ করা যাচ্ছে না। তাছাড়া কর্মরত নারীদের চাহিদা মত কাঁচামাল যোগান দিতেও আমাদের হিমশিম খেতে হয়। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সিনহা বিনতে সামিউল হেয়ার ক্যাপ নিটিং লিমিটেড অত্র অঞ্চলের শতশত অসহায় নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির কারখানায় পরিনত হবে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর