1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কর্ণফুলীতে ১৪শ পিচ ইয়াবাসহ বৃদ্ধ গ্রেফতার সোনাতলায় মারপিটের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরালঃ ২ আসামী আটক আখাউড়ায় পুকুরে মাটিকাটা কেন্দ্র করে সংঘর্ষে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত  শাজাহানপুরে ইফার উদ্যোগে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে করোনা উপসর্গে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু শাহজাহানপুরে মৎস্য চাষীদের মাছের মিশ্রচাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন  সুনামগঞ্জে ভূল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ যৌতুক দিতে না পারায় স্বামীর ঘরে ফেরা হল না সুমির শাজাহানপুর চাঙ্গুইর জলাশয় ইজারা বিরোধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা শ্রদ্ধা ভালোবাসায় কাজিপুরে মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

জয়পুরহাটে কর্মকাররা কোরবানী পশু কাটার সরঞ্জামাদি তৈরিতে ব্যস্ত

  • আপডেট এর সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০
  • ১৩২ বার দেখা হয়েছে

আহসান হাবীব আরমান,জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
টুং টাং শব্দে সরগরম জয়পুরহাট কামার পল্লী। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গিয়ে অবিরাম দিনরাত কাজ করছেন কামাররা। হাসুয়া, ছুরি, চাপাতি, দা, বটি তৈরির পাশাপাশি শান দেয়ার কাজে ব্যস্ত কামার পল্লী। তবে গত বছরের তুলনায় এবার কোভিড-১৯, করোনা ভাইরাসের কারনে বাজার বেশি ভাল নয় বলে জানান কামাররা।
আগামী পহেলা আগষ্ট ঈদুল আজহার ঈদ। তাই ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই যেন ব্যস্ত হচ্ছেন জয়পুরহাটের কামাররা। আর ক্রেতারা তাদের পছন্দের হাসুয়া, ছুরি, চাপাতি, ভোজালি, কুড়াল, মাংস কাটার জন্য গাছের গুলের টুকরো কিনতে ব্যস্ত। তবে গত বছর জেলার বিভিন্ন কামার এলাকায় দেখা যায়, ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন কামারগন।
সারা বছর কাজ না থাকলেও কোরবানির ঈদের এ সময়টা বরাবরই ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের। পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কিনতেও লোকজন ভিড় করছে কামার পল্লী ও বাজারে। এখন প্রতিটি কামারের দোকানে শোভা পাচ্ছে পশু জবাইয়ের উপকরণ।
দুগাদর্হ বাজার কামার পট্রিতে কামার টুংগু জানান, তাদের পূর্ব পরুষরা এ ব্যবস্যা করতেন। তার বাবাও করতেন। তিনিও প্রায় ৩০ বছর যাবৎ করছেন। এখানে তার ৩ ছেলেসহ এ কাজ করছেন।
তিনি জানান, সারা বছর কাজ খুব কম থাকে কোরবানি এলে কাজ বেড়ে যায়। বর্তমানে ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় ছুরি ও ধামার শান দেয়ার জন্য ৫০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করে ১০০-১৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।
প্রতিটি দা বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩শ থেকে চারশ টাকা, হাসুয়া ২০০ টাকা, ছোট ছুরি ৮০/১০০ টাকা, বটি ২৫০/৩০০ টাকা এবং চাপাতি প্রকার বেদে ২৫০-১০০০ টাকা করে।
জয়পুরহাট গোলশান মোড় এলাকার ব্যবসায়িরা নারায়ন জানায়,কোরবানীর জন্য নতুন সরঞ্জাম তেমন একটা বিক্রি হচ্ছেনা। তবে পুরোনো যন্ত্রপাতিই শান দেয়া হচ্ছে বেশি। তবে ক্রেতার সংখ্যা এখনো তেমন হয়নি। হয়তোবা দু.একদিনের মধ্যে ক্রেতা বাড়তে পারে বলে তারা মনে করছেন।
পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কিনতে আসা পুরানাপৈল এলাকার আনোয়ার হোসেন জানান, কোরবানির ঈদের আর মাত্র ৫ দিন বাকি তাই আগেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কিনে কিছু কাজ এগিয়ে রাখছেন। তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার ছুরি, চাকু, চাপাতির দাম একটু বেশি বলে জানান তিনি।
জামালগঞ্জ রোড মহিলা কলেজগেট সংলগ্ন প্রদিব কুমার কামার কর্মকার বলেন, ঈদ ছাড়া অন্য সময় দাম একটু কম রাখা হলেও এখন কিছুটা বেশি নেয়া হচ্ছে। পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কেনা ও মেরামত করার দাম বেশি হওয়ার বিষয়ে কামার দোকানীরা বলেন, বর্তমানে কয়লা ও রডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দা-ছুরির দামও একটু বেশি নিতে হচ্ছে। তা না হলে ব্যবসায় লাভ করা যায় না। আর ঈদে এসব প্রয়োজন বলে বেশি দামেই ক্রেতারাও কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর