1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

ধুনটের আলোকিত সন্তান প্রভাষক লুৎফর রহমান

  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে

এম.এ রাশেদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলাধীন জি এম সি ডিগ্রী কলেজ, দক্ষিণ ধুনটে শিক্ষা বিস্তারে ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করে আসছে। সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক প্রভাষক মোঃ লুৎফর রহমান। যিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে শিক্ষকতা পেশায় মনোনিবেশ করেন। গুণী মানুষটির জন্ম দক্ষিণ ধুনটের গোপালনগর ইউনিয়নের শেহুলিয়াবাড়ী গ্রামে। উক্ত কলেজে ইংরেজি শিক্ষক সংকটকালীন সময়ে ১৯৯৭ সালের দিকে তিনি দীর্ঘ ৭ বছর ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করেন। বলা চলে তিনি যেমন ইংরেজি বিষয়ে দক্ষ অনুরুপ ইতিহাস বিষয়ে বেশ পটু, তাঁর জ্ঞাণের আলোয় আলোকিত দক্ষিন ধুনটের হাজারো শিক্ষার্থী।

বিনয়ী মানুষটি শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজ সেবা, ধর্ম, আত্মমানবতায় উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ইতোমধ্যে সকলের নিকট ধুনটের ‘বাতিঘর’ নামে সমাদ্রিত। তিনি দারিদ্র মেধাবী ছাত্রী ছাত্রীদের কল্যাণে সরকারের ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে “মেধাবিকাশ ট্রাস্ট” গড়ে তুলেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে সম্প্রতি আমাদের প্রাণের লাইব্রেরী ও মেধা বিকাশ বৃত্তি ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে ধুনট উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া অসুস্থ্য ,গৃহহীন ,অস্বচ্ছল মানুষের জন্য নিরবে কাজ করে যাওয়ায় সামাজিক ভাবে তিনি এখন অনেকেরই আদর্শ।

এমন শিক্ষাগুরুর বহুমুখী কর্ম পরিসেবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি জি এম সি ডিগ্রী কলেজের প্রাক্তন ছাত্র। প্রভাষক লুৎফর রহমান স্যারের সার্বিক সহযোগীতায় আজ আমি আপন প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছি। আজকে আমার যা কিছু অর্জন সবই আমার পিতা-মাতা ও শিক্ষাগুরু প্রভাষক লুৎফর রহমান স্যারের অবদান।

প্রভাষক লুৎফর রহমানের সার্বিক সহযোগী পাওয়া বেশ কিছু সফল ছাত্র ছাত্রী, তরিকুল ইসলাম, সীমা আক্তার, রফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, রজব আলী, রত্না রানী, ইব্রাহীম, নীহেরীকা, সোহেল রানা সহ আরো অনেকেই প্রিয় শিক্ষকের অবদানের কথা স্বীকার করেন। বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত রজব আলী দৃঢ়তার সাথে বলেন, একদিন আমার বই কেনার টাকা ছিলোনা, হাঁড়িতে ছিলোনা চাল, চাকরীর জন্য এপ্লিকেশন করবো সে টাকাও স্যার দিয়েছিলেন।

এ প্রসঙ্গে প্রভাষক লুৎফর রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি সকল মানুষই প্রতিভাবান, শুধু তাঁদের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্রটা ভিন্ন। তাদের সুযোগ দিলে তারাও সফল হবে। আমার সকল ছাত্র ছাত্রীরা সন্তানসম, তাদের ভালো থাকার কথা শুনলে আনন্দে মনটা ভরে ওঠে।

তিনি আরো বলেন, আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সকলকে অনুপ্রাণিত করি সুশিক্ষিত নাগরিক হওয়ার জন্য। ছাত্র ছাত্রীদের সাথে বিনয়ী, অান্তরিকতার মাধ্যমে তাঁদের সমস্যা জানার চেষ্টা করি। তাঁরা তাদের বাস্তব অবস্থান কিংবা সমস্যার কথা জানালে সামর্থ্য অনুযায়ী তা পুরনের চেষ্টা করি।

প্রভাষক মোঃ লুৎফর রহমান প্রসঙ্গে জিএমসি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোঃ আবুল কাশেম মীর মন্তব্য করে বলেন, তিনি একজন উদার মন মানুসিকতার শিক্ষাবান্ধব প্রভাষক। আমি তাঁর উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করছি।

উক্ত কলেজের সভাপতি টিএম রেজাউল ইসলাম রেজা জানান, প্রভাষক লুৎফর রহমান ছাত্র ছাত্রীদের সু-শিক্ষা নিশ্চিৎ করনে বদ্ধপরিকর। যতটুকু জানি, তিনি দারিদ্র ও অসহায় মানুষকে সহযোগীতার বিষয়ে বেশ আন্তরিক।

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর