1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

ধুনটে বাঙ্গালীতে বারো গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো

  • আপডেট এর সময় : শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫১৭ বার দেখা হয়েছে

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ১২ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী হেউটনগর গ্রামের ভিতর দিয়ে বহমান বাঙ্গলী নদীতে গফুরের ঘাটে ২ উপজেলার ১২ গ্রামের প্রায় দৈনিক ৩ হাজার লোকজন যাতায়াত করে। ধুনট উপজেলা থেকে বগুড়া জেলা সদরে যাতায়াতে খুব সহজ রাস্তার মাঝে রয়েছে এ ঘাট। গ্রাম গুলো হলো ধুনট উপজেলার হেউট নগর, কোদলা পাড়া, ঈশ্বরঘাট, হাসোখালী, শাজাহানপুর উপজেলার শৈলধুকরী, বুড়িরভিটা, পলিপলাশ, রাধা নগর, নগর, শিপপুর, ভাবানীপুর, রামপুর।

স্থানীয়রা জানান, গফুরের ঘাট শাজাহানপুর উপজেলা ও ধুনট উপজেলার সীমান্তবর্তী বাঙ্গালী নদীতে হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় পার্শ্ববর্তী এলকাবাসীর। বর্ষাকালে নদীতে পানি বেশি থাকলে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়। আবার শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কমে গেলে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। ঘাটের ২ পাশ্বের গ্রামের মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ গফুরের ঘাট পারাপার হতে হয়। ফসলি জমি ফসল ফলিয়ে ঘরে তুলতেও বেগ পোহাতে হয় কৃষকদের। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনারও ব্যাঘাত ঘটে। সময় নষ্ট হয় বর্ষকালে নৌকা পারাপারের সময়। জেলা সদর বা বড় হাটবাজরে ফলন বিক্রি করতে না পারায় ন্যায্য মূল্য বঞ্চিত কৃষক। এছাড়ও সাধারণ লোকের যাতায়াতের পাশাপশি অনেক এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মীওর যাতায়াতের পথ এটি। বিশেষ করে বর্ষা ও বন্যার সময় নৌকা ডুবিতে অনেকই দুর্ঘটনার শিকার হন।

শাহজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম টমেটো জানান, আমাদের ও পার্শ্ববর্তী ধুনট উপজেলার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের পথ গফুরের ঘাট। এই ঘাট দিয়ে পারাপার হয়ে খুব সহজে ধুনট উপজেলায় যেতে পারি। এছাড়ও ঘাটের ২ পারের লোকজনের কৃষি জমির ফসল ফলানো, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সহজ পথ এটি। যদি একটি ব্রিজ হতো তাহলে ১২ গ্রামের মানুষের দুভোর্গ লাঘোব হতো।

শোলধুকরি দাখিল মাদ্রাসার অবসরপাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব বারিক সরকার জানান, গফুরের ঘাটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে পারাপারে জন্য অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় আসতে পারে না। তাদের লেখাপড়ার অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। তাই সরকারের কাছে আবেদন জানাই এই ঘাটে একটা ব্রিজ হলে বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে লেখাপড়ায় মনোযোগী হবে।

হেউটনগর গ্রামের কৃষক আজিজার রহমান জানান, আমাদের অধিকাংশই ফসলি জমি নদীর পশ্চিম পার্শ্বে। বাঙ্গালী নদীতে ব্রীজ না থাকায় আমাদের বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। মাঠে ফসল ফলিয়ে ঘরে আনতে অনেক কষ্ট হয়। এছাড়ও নদীতে ব্রীজ না থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় ফসলের ন্যায্য মূল্যে থেকে আমরা বঞ্চিত। তাই সরকারের কাছে আমাদের গফুরের ঘাটে অতি তারাতরি ব্রিজ নির্মাণ করার দাবি।

কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ফটিক বলেন, সীমান্তবর্তী বাঙ্গালী নদীর ২ পারের মানুষের দুর্ভোগ দুর করতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে ব্রিজ নির্মানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর