1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

পবিত্র স্থান ফিলিস্তিনিদের যেমন ইসরায়েলের তেমনঃ লাশের সারি কাম্য নয়…

  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
  • ৭৩ বার দেখা হয়েছে

আব্দুর রাজ্জাকঃ

 অনেক আগে থেকে চলে আসা ফিলিস্তিনি-ইসরায়েল যুদ্ধ সম্প্রতি রূপ নিয়েছে হত্যাযজ্ঞে। এই অসম সামরিক যুদ্ধ এবং যুদ্ধ বন্ধ করা নিয়ে বিশ্ব নেতৃত্বের অনীহার পেছেনেও আছে নানা গল্প। এ পর্যন্ত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সামরিক অসম যুদ্ধে ফিলিস্তিন পক্ষে প্রানহানী ২০০ এর বেশি এবং ইসরায়েল পক্ষে ১০ এর বেশি। সামরিক শক্তি বিবেচনায় এ অনুপাত ঠিকই আছে। কিন্তু কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। আমেরিকার বিরোধীতায় এখন পর্যন্ত জাতিসংঘ এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি দিতে পারনি। পারবেও না। আমেরিকা ইতোমধ্যে ইসরায়েলের রাজধানী তেল-আবিব থেকে জেরুজালেম স্থানান্তর করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। যুদ্ধের মধ‍্যেই আরও অস্ত্র দিচ্ছে। আমেরিকা ইসরায়েলের বিপক্ষে কিছু বলবে এটি আশা করা বোকামি। কারণ মধ‍্যপ্রাচ‍্য নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইসরায়েল আমেরিকার বিশ্বস্ত বন্ধু। আমেরিকার বিরোধীতা করার জন‍্যই চীন ফিলিস্তিনের পক্ষে একটু কথা বলছে। এর থেকে বেশি কিছু না। রাশিয়া কোনো কথাই বলছে না। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র ইরান এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ একটু কথা বলছে। এ বলার পিছনে তাদের স্বার্থ আছে। তুরস্কের অবস্থান কিছুটা স্বার্থ ছাড়া। অন্য মুসলিম দেশগুলো কেনো কিছু বলছে না। কারণ বর্তমানে ইরান, তুরস্ক ও সিরিয়া ছাড়া মধ্যে প্রাচ‍্যের সব মুসলিম দেশের সামরিক নিরাপত্তা আমেরিকার সাথে সংশ্লিষ্ট। এ ক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশের মুসলিমরা একটু বেশি আবেগপ্রবণ। আমরা এ যুদ্ধ বন্ধের আহবান জানাই। ফিলিস্তিনের জন্য সহমর্মিতা জানাই। ঠিক আছে। সাথে ইসরায়েল রাষ্ট্র থাকবে না এমন ভাবি। আমাদের এ ভাবনার কোনো যৌক্তিকতা এবং বাস্তবতা নেই। জেরুজালেম এর টেম্পল মাউন্ট -এ ইসরায়েলী ইহুদিদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন কেন্দ্র করে এবারের সংঘাতের শুরু। এ ক্ষেত্রে ইসরায়েল বেশি শক্তি প্রয়োগ করেছিল। যা মুসলিমদের ক্ষুব্ধ করে। সবকিছুর মূলে ধর্ম। ফিলিস্তিনের জেরুজালেম এমন একটি স্থান যেখানে মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ এবং মহানবীর (সাঃ)মিরাজসহ অনেক নবীর জন্মস্থান হওয়ায় মুসলিমদের তীর্থস্থান। এর অধিকার ছাড়ার প্রশ্নই আসে না। আবার আল-আকসা মসজিদের পাশেই ইহুদিদের ধর্মীয় স্থাপনা টেম্পল মাউন্ট। আছে প্রর্থনার স্থান পশ্চিম দেয়াল। এ গুলো প্রাচীন। কাজেই জেরুজালেম একইভাবে ইহুদিদের তীর্থস্থান। তারা এর অধিকার ছাড়বে কেন? ফিলিস্তিনের বেথেলহাম হলো যীশু খ্রিষ্টের জন্মস্থান। শিশু অবস্থায় যীশুকে জেরুজালেম নিয়ে আসা হয়। আল-আকসা ও টেম্পল মাউন্টের পাশের একটি গীর্জায় যীশুর অনেক সময় কাটে। এখানেই ক্রুসবিদ্ধ, মৃত্যু, পূনরুত্থান ও স্বর্গারোহন। কাজেই খ্রিষ্টানদের নিকট এটি তীর্থস্থান। তারাও এ স্থানের অধিকার ছাড়বে না। আর এ জন‍্যই আমেরিকাসহ অন‍্যান‍্য খ্রিষ্টান রাষ্ট্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যাবে না। বরং সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা করবে। এটিই সত‍্য ও বাস্তবতা। তবে সমাধান কি? একমাত্র সমাধান হলো জাতিসংঘ, ওআইসি ও আরবলীগের মধ্যস্থায় ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন নামে দু’টি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা। যার যার ধর্মীয় স্থাপনা তার তার নিয়ন্ত্রণে দেয়া। তাছাড়া, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংঘাত বা যুদ্ধ বন্ধ হবে না। আর বন্ধ না হলে প্রাণ এবং সম্পদ অনেক বেশি ক্ষতি হবে ফিলিস্তিনের। অথচ আরব বিশ্ব কেউই একথা বোঝার পরেও কার্যর কোন পদক্ষেপ নেয়নি এখনো।.. লেখক- ডেপুটি ডিরেক্টর. বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও কলামিস্ট ০১৭১৫-০২৫৩০৩

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর