1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের মুনঈম সাগর শিশু নোবেলের জন্যে মনোনয়ন পেলেন

  • আপডেট এর সময় : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২০ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ শিশুদের অধিকার নিয়ে ছোটবেলা থেকেই তার কাজ করা শুরু। সরকারি চাকুরিজীবী পিতা আর স্কুল শিক্ষিকা মা দেখলেন পুত্রের আগ্রহ। তারাও পুরোদমে উৎসাহ দিতে লাগলেন।সেই থেকে শুরু  সেই নয় বছরের শিশু মুনঈম এখন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ।তার বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলায়।  বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার ২০২০ এর জন্য তিনি মনোনীত হয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়ে নেদারল্যান্ডস সরকারের পিস রাইটস কমিটির নিকট সুপারিশ পাঠিয়েছে। এটি শিশুদের জন্য নোবেল পুরস্কার নামে পরিচিত।

পিতা শাহ মো. হুমায়ুন সগির ও মা মনিরা বেগম দম্পতির বড় সন্তান এম এ মুনঈম সাগর। ছোট থেকেই মুনঈম সাগরের শিশু অধিকার বাস্তবায়নের প্রতি ছিল অদম্য ইচ্ছা দেখে বাবা তাকে উৎসাহ যোগাতে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ডিজাবল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট (বিডিডিটি) নামে একটি সামাজিক সংগঠন। ওই সংগঠনের টাইগার্স অব বাংলাদেশ শাখার প্রতিষ্ঠাতা কর্ণধার মুনঈম সাগর। এই সংগঠনের মাধ্যমে মাত্র ৯ বছর বয়সে অসহায়, গৃহহীন, মাতৃহীন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য কাজ করেন মুনঈম সাগর। তার কাজের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। 

মুনঈম সাগরের কার্যকলাপ প্রশাসনসহ বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠনের নজরে আসে। তিনি অসহায় শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে সংগ্রাম করছেন তা শুধু বাংলাদেশ নয় ধীরে ধীরে তার কাজের পরিধি দেশ গড়িয়ে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। 

মুনঈম সাগর তার এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন অনেকগুলো জাতীয় পুরস্কার। মুনঈম সাগর বর্তমানে ঢাকা রেসিডেন্সশিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান শাখার দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এম এ মুনঈম সাগর মুঠোফোনে বলেন, শৈশবে আমার দুই বন্ধু খাবার ও ওষুধ না পেয়ে মারা যান। ওই ঘটনা আমাকে খুব ব্যথিত করে। এরপর থেকে নিজে প্রতিজ্ঞা করি শিশুদের নিয়ে কিছু একটা করার। সেই শৈশবের ব্যথাকে বুকে ধারণ করেই লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করি। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার অধিকারবঞ্চিত শিশুদের অধিকারপ্রাপ্তিতে ভূমিকা রেখেছি। আমি যাতে সফল হতে পারি তার জন্য দেশবাসীর নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি।পুরস্কার পাই আর নাই পাই সাধারণ শিশুদের নিয়ে কাজ করে যাবো আজীবন বলে জানান এই কিশোর। 

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর