1. [email protected] : Abdur Razzak : Abdur Razzak
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : BDNewsFast :
  4. [email protected] : Abdul Jolil : Abdul Jolil
  5. [email protected] : Nazmus Sawdath : Nazmus Sawdath
  6. [email protected] : Tariqul Islam : Tariqul Islam
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৬ অপরাহ্ন

বাগাতিপাড়ায় করোনার সথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য

  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০
  • ২৭৮ বার দেখা হয়েছে

খাদেমুল ইসলাম,বাগাতিপাড়া নাটোর প্রতিনিধি:
করোনার কারণে বর্তমানে বিশ্বব্যাপি সংকট চলছে। আর এই সংকটে নিম্ন মধ্যবিত্ব ও শ্রমজীবি মানুষ পড়েছে সীমাহীন বিপাকে। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন পণ্যের মূল্য নিচ্ছেন ইচ্ছেমতো। দেখার জেন কেউ নেই! বাজার মনিটরিং এ প্রশাসনের অবহেলাকেই দুষছেন স্থানীয়রা।
ক্রেতা বা ভোক্তাদের অধিকার আদায়ের সংগঠন কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ক্যাব এর বাগাতিপাড়া উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ বলেন, আমরা ক্রেতা-ভোক্তাকে যেমন পণ্যের মূল্য যাচাই করে ক্রয় করতে বলি আবার ব্যবসায়ীদের মূল্য তালিকা প্রদর্শন পূর্বক সঠিক মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে সচেতন করে থাকি। এর পরেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আইন না মেনে ক্রেতাকে ঠকায়। এমতাবস্থায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার তদারকিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় সরেজমিনে পেড়াবাড়ীয়া, তমালতলা, জিগরী, দয়ারামপুর ও লোকমানপুর বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চাউল প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫৫টাকা, সয়াবিন তেল ১০০ থেকে ১১০টাকা, পাম তেল ১০০টাকা, মসুর ডাল ৯৫ থেকে ১০০টাকা, চিনি ৬৫ থেকে ৭০টাকা, ছোলা ৭৫ থেকে ৮০টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ বর্তমান করোনা পরিস্থির পূবেই এসকল পণ্যে মূল্য অনেক কম ছিলো। চাল প্রতি কেজিতে পনের টাকা, ডাল প্রতি কেজিতে চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোন কোন পণ্যের মূল্য দ্বিগুণ বেড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে গুরুত্বসহকারে বাজার মনিটিরিং করা না হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারকে আরো অস্থিতিশীল করবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
জিগরী বাজারের সিহাব স্টোরের মালিক আসমত আলী দাবি করেন, আমার যেখান থেকে মালামাল ক্রয় করি তারাই বেশি নিচ্ছে। আর বর্তমানে পরিবহন সংকটের কারণেই বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য একটু বেশি।
চাউলের মূল্য কেন বেশি নেয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নে প্রতিনিধিকে তমালতলা বাজারের মেসার্স সাজদার চাউল ঘর এর মালিক ব্যবসায়ী সাজেদুর রহমান দাবি করেন, বর্তমানে ধানের ঘার্তি, গত মৌসুমে ধানের ফলন কম হওয়া, পুকুর খনন করে ধানের জমি কমে যাওয়া ও চাউল উৎপাদনকারী মালিকগণ চাউলের দাম বেশি নিচ্ছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমাদেরকে বেশি দামে চাউল ক্রয়-বিক্রয় করতে হচ্ছে ।
করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য তাহমিনুর রহমান সজিব বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি থেমে যাচ্ছে এমন মহূর্তে জীবন বাঁচাতে সময় এসেছে খাদ্য দিয়ে মানুষের জীবন বাঁচানোর, অর্থনীতি চাঙ্গা করা নয়। তাই রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যদি এমন মনোস্তাত্তিক দৃষ্টি ভঙ্গি হারিয়ে ফেলে তাহলে মানবতার মৃত্যু হবে। তাই এমন অবস্থায় ব্যবসায়ী, নাগরিক ও সরকার সবাইকেই দ্রব্য মূল্যে নিয়ন্ত্রনে একাত্ততা ঘোষণা করা প্রয়োজন।
উপজেলার লোকামানপুর এলকার আসলাম উদ্দিন নামের একজন ক্রেতা বলেন, দোকানীরা দ্রব্যের মূল্যে যা চাচ্ছে আমাদেরকে তাই দিতে হচ্ছে। বর্তমান সংকটে একদিকে মানুষের রোজগার বন্ধ হয়ে আছে, আবার বেশি মূল্য দিয়ে ক্রেতাকে পণ্য ক্রয় করতে হচ্ছে। ক্রেতা হিসেবে আমরা মনে করি প্রশাসন যদি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতো তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীরা এভাবে ইচ্ছেমতো দাম নিতে পারতো না। তাই বাগাতিপাড়া স্থানীয় প্রশাসনকে বাজার মনিটরিং এ গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা দেবী পাল বলেন, বাজারে নজরদারি অব্যাহত আছে। জাতীয়ভাবে কিছু পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় এমন অবস্থা তৈরী হয়েছে। কোন ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বেশী রাখলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন

এই ক্যাটাগরির আরো কিছু খবর